রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর । অথবা , রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পরিধি আলােচনা কর ।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর । অথবা , রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পরিধি আলােচনা কর ।


 উত্তরা ভূমিকা : সমাজবিজ্ঞানের অন্যতম শাখা হিসেবে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রকৃতি ও পরিধি সম্পর্কে জ্ঞান থাকা আবশ্যক । একবিংশ শতাব্দীতে এসে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রকৃতি নির্ণয় করা কঠিন একটা ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিম্নে এ সম্পর্কে আলােচনা করা হলাে :


রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রকৃতি: নিম্নে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রকৃতি উল্লেখ করা হলাে:


১. সরকারের আলােচনা ; সরকার হলাে রাষ্ট্রের অপরিহার্য উপাদান । তাই রাষ্ট্রবিজ্ঞান সরকার সম্পর্কে বিস্তারিত আলােচনা করে । 

২. রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান : রাষ্ট্রবিজ্ঞান সংবিধান , রাজনৈতিক দল , চাপসৃষ্টিকারী গােষ্ঠী , আমলাতন্ত্র ইত্যাদি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আলােচনা করে।

 ৩. ক্ষমতাকেন্দ্রিক আলােচনা : রাষ্ট্রবিজ্ঞান ক্ষমতা অর্জন , সংরক্ষণ ক্ষমতার প্রভাব ও প্রয়ােগ নিয়ে আলােচনা করে। 

৪. আন্তর্জাতিক বিষয়ে আলােচনা : রাষ্ট্রবিজ্ঞান আন্তর্জাতিক আইন , বিভিন্ন দেশের সাথে সম্পর্ক , বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন ইত্যাদি নিয়ে আলােচনা করে । 

৫. নাগরিক জীবনের সুযােগ সুবিধা : রাষ্ট্রবিজ্ঞান নাগরিক জীবনের বিভিন্ন দিক , নাগরিকদের সুখস্বাচ্ছন্দ্য , নাগরিক অধিকার ইত্যাদি নিয়ে আলােচনা করে । 

৬. মানুষের রাজনৈতিক জীবন : সমাজবদ্ধ মানুষের রাজনৈতিক জীবন নিয়ে আলােচনাই হলাে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের একমাত্র আলােচ্য বিষয়। 


উপসংহার : উপযুক্ত আলােচনা শেষে বলা যায় যে , মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সকল কার্যকলাপই রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রকৃতি পরিধির অন্তর্ভুক্ত । রাষ্ট্রবিজ্ঞান , যেহেতু সর্বদা গতিশীল সেহেতু রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রকৃতি গতিশীল পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্য বিধান করে তার নিজস্ব স্বকীয়তা বজায় রাখে ।

মন্তব্যসমূহ